Leave a comment

এক জ্বীনের বাদশা, হাজারো প্রতারণার গল্প!

শাহ-আলম ওরফে জীনের বাদশার ধোঁকায় পড়েছিল যারা ====>>
ঢাকা সিটি কলেজের একজন শিক্ষকের কথা। র‌্যাবের কাছে দেয়া এক লিখিত আবেদনে তিনি বলেছেন শাহ আলম এবং দুলাল কৃষ্ণ ওরফে খলিল তার কাছ থেকে ৩ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। চিকিৎসা এবং ধাতব মুদ্রার বিনিময়ে অনেক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে এ শিক্ষকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে যাওয়া হয়। একজন শিক্ষক কেমন করে এত টাকার মালিক হয়ে গেলেন? সম্পদের উৎসের ভয়, আবার কোন ঝামেলায় ঝড়িয়ে পড়েন এ দুই ঝামেলার ভয়ে তিনি সাংবাদিকদের এড়িয়ে যান। …

Amader Jhalakati News

মো. আতিকুর রহমান:জ্বীনের বাদশা শাহআলম ও তার বিলাসবহুল বাড়িঝালকাঠি : ঢাকাসহ বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে থাকা ছোট ছোট আঞ্চলিক দল বা গোষ্ঠির মধ্যে আঞ্চলিক পর্যায় থেকে সারাদেশে নীরবে জাল বিস্তৃত করেছে শাহ আলম ও তার বাহিনী। জ্বিন হাজিরের নামে বিভিন্ন স্থানে চালিয়েছে প্রতারণা। যিনি এলাকায় “কানা আলম”, “আলম চেয়ারম্যান”, “জ্বীনের বাদশা শাহআলম” নামে পরিচিত। তার প্রতারণার ধরণ এতই বিচিত্র এবং অভিনব যে, সবরকম রোগের চিকিৎসা দেবার ক্ষমতা রাখেন তিনি। এর কবল থেকে এমবিবিএস ডাক্তার, অধ্যাপক, সাধারণ মানুষ কেউই বাদ পড়ে নি।

অনুসন্ধানে জানাগেছে, খুলনার আলোচিত চরিত্র এরশাদ সিকদারের সাথে যোযোগ ছিল শাহ আলমের। সেই সূত্রেই বাহিনী গঠন, পরিচালনা, দখল, নিয়ন্ত্রণের প্রাথমিক ধারণার তালিম (শিক্ষা) নেন তার কাছ থেকে। ২০০৪ সালে কারাগারে এরশাদ সিকদারের ফাসি কার্যকর হয়ে যাবার পর শাহআলম নিজের মত করে দল গোছাতে শুরু করেন। তার অনেক আগ থেকেই নিজের অবস্থান নীরবে তৈরী করতে থাকে শাহ আলম। ১৯৯৯ সালে রাজাপুরের শুক্তাগড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হয়ে যায় সে।

View original post 1,489 more words

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: